শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১:৩৮, ১৫-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনওএসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুলের আশপাশে স্ন্যাকসের দোকান, সুপারমার্কেট ও মিষ্টির দোকানে সহজেই অস্বাস্থ্যকর খাবার পাওয়া যায়। পকেটের টাকা দিয়ে খাবার বা পানীয় কেনার সময় শিশুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অস্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেয়।
শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের কেনা খাবারের চার ভাগের তিন ভাগেরও বেশি অস্বাস্থ্যকর। স্কুলের বিরতিতে শিক্ষার্থীরা সহজেই সসেজ রোল, মিষ্টি, চিপস ও কোমল পানীয় কিনতে পারে।
নেদারল্যান্ডসের পুষ্টিবিষয়ক সংস্থা ভোডিংসসেন্ট্রামের লিসবেথ ভেলেমা এনওএসকে বলেন, এত বিপুলসংখ্যক স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা উদ্বেগজনক। চিনিযুক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবারের তুলনায় স্বাস্থ্যকর খাবার শিশুদের কাছে কম সুস্বাদু মনে হতে পারে। ফলে তাদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
বর্তমানে স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে স্থানীয় সরকারগুলো এ অবস্থার পরিবর্তন চায়। তাদের মতে, এ ধরনের খাবার বিক্রিতে কঠোর নিয়ম চালু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সুপারমার্কেটগুলোকে শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প বাড়াতে হবে।
এদিকে, চলতি মাসের শুরুতে আমস্টারডাম ইউএমসির এক গবেষণাতেও একই চিত্র উঠে আসে। এতে দেখা যায়, মাধ্যমিক ও বৃত্তিমূলক বিদ্যালয়ের প্রায় ৯৪ শতাংশের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দোকান রয়েছে।
এর আগে ১৪টি পৌরসভা স্কুলের আশপাশে নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালুর বিষয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিল।
আমস্টারডাম, রটারডাম, উট্রেখট, দ্য হেগসহ নেদারল্যান্ডসের ১০টি শহরের খাবারের দোকান এ গবেষণার আওতায় ছিল। সব শহরেই স্বাস্থ্যকর খাবারের তুলনায় অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রাধান্য দেখা গেছে।
এমপি/ আরআই