ব্রেকিং
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৫:১৬, ২৬-০৭-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
এলটিইউ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের আইটেমভিত্তিক উৎপাদন প্রতিবেদন চেয়ে গত ১২ মে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চিঠি পাঠানো হয়। পরে কয়েক দফা তাগিদ দেওয়া হলেও প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেয়নি।
এলটিইউ কমিশনার সৈয়দ আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৮২ ধারা অনুযায়ী এনবিআর যেকোনো করদাতার কাছ থেকে ব্যবসা ও উৎপাদনসংক্রান্ত তথ্য তলব করার ক্ষমতা রাখে।
এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তথ্য চাওয়ার পরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করছে। অথচ আইন অনুযায়ী এসব তথ্য সরবরাহ করা তাদের বাধ্যবাধকতা। স্বচ্ছভাবে ব্যবসা পরিচালনা করলে উৎপাদনের রেকর্ড দিতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
যেসব প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—এসিআই, এরিস্টোফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, এসেনসিয়াল ড্রাগস, জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনসেপ্টা, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস, নুভিস্তা ফার্মা, ওরিয়ন ফার্মা, প্যাসিফিক ফার্মাসিউটিক্যালস, রেনাটা, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, সাইনোভিয়া ফার্মা, দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ, ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসসহ মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকেও পৃথকভাবে উৎপাদন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, আইটেমভিত্তিক উৎপাদন প্রতিবেদন পর্যালোচনার মাধ্যমে উৎপাদন ও বিক্রির প্রকৃত হিসাব মিলিয়ে দেখা হবে। উৎপাদন ও বিক্রির তথ্যে অস্বাভাবিক পার্থক্য পাওয়া গেলে কর ফাঁকি বা অনানুষ্ঠানিক বাজারে পণ্য বিক্রির বিষয়টি শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
তারা আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে অডিট টিম পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কারখানা থেকে সরাসরি প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবে এনবিআর।
এমপি/ আরআই