শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১:১২, ১৩-০৯-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সম্প্রতি বিএমডিসির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা: মো. লিয়াকত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে কিছু চিকিৎসক নামের সঙ্গে বিএমডিসির অনুমোদনহীন বিভিন্ন ডিগ্রি সূচক পোস্ট-নোমিনাল ব্যবহার করছেন। এ বিষয়ে কাউন্সিলের আইন (২০১০ সালের ৬১ নম্বর আইন)-এর ২৯ নম্বর ধারায় ভুয়া পদবি ব্যবহারের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আইনের ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, ‘ভুয়া পদবী, ইত্যাদি ব্যবহার নিষিদ্ধ। (১) এই আইনের অধীন নিবন্ধনকৃত কোন মেডিকেল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক এমন কোন নাম, পদবী, বিবরণ বা প্রতীক এমনভাবে ব্যবহার বা প্রকাশ করিবেন না যাহার ফলে তাহার কোন অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা আছে মর্মে কেহ মনে করিতে পারে, যদি না উহা কোন স্বীকৃত মেডিকেল চিকিৎসা-শিক্ষা যোগ্যতা বা স্বীকৃত ডেন্টাল চিকিৎসা-শিক্ষা যোগ্যতা হইয়া থাকে। ন্যূনতম এমবিবিএস অথবা বিডিএস ডিগ্রী প্রাপ্তগণ ব্যতিত অন্য কেহ তাহাদের নামের পূর্বে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করিতে পারিবে না।’
এতে আরও বলা হয়েছে, ‘(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করিলে উক্ত লংঘন হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড বা ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত অপরাধ অব্যাহত থাকিলে, প্রত্যেকবার উহার পুনরাবৃত্তির জন্য অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থ দন্ডে, বর্ণিত দন্ডের অতিরিক্ত হিসাবে, দন্ডনীয় হইবেন।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কিছু চিকিৎসক তাদের চেম্বার ও প্র্যাকটিস সম্পর্কিত ছবি এবং বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞাপন আকারে ইলেকট্রনিক ও গণমাধ্যম, যেমন—সংবাদপত্র, টেলিভিশন বিজ্ঞাপন ও টকশো; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, যেমন—ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটক এবং দর্শনীয় স্থানসমূহে প্রকাশ ও প্রচার করছেন।
এ বিষয়ে কাউন্সিলের আইনের অধীন প্রণীত ‘কোড অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট, এটিকেট অ্যান্ড এথিকস’-এর অধ্যায় ৩-এ সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমডিসি। এসব নির্দেশনা প্রতিপালন করা আবশ্যক। কোনো চিকিৎসকের পক্ষে অন্য কোনো পক্ষ এ ধরনের প্রচার করলে তা প্রতিরোধ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক দায়ী থাকবেন।
বিএমডিসি বলেছে, জনস্বার্থে প্রতারণামূলক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এসব অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে সবাইকে সচেতন করা প্রয়োজন। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এড়াতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও পৃষ্ঠপোষকদের—যেমন মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার—ক্ষেত্রবিশেষে যথাযথ আচরণ নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
এছাড়া জনবিভ্রান্তি এড়াতে নিবন্ধনভুক্ত সব চিকিৎসককে তাদের বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভিজিটিং কার্ড, প্যাড ও সাইনবোর্ডে আবশ্যিকভাবে প্রদর্শন করার জন্য বলা হয়েছে।
এমপি/ আরআই