ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

১৩ কার্তিক ১৪৩৩, ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম

Scroll
স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি দমনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
Scroll
আইইডিসিআরের পরিচালকের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
Scroll
টেকসই চক্ষুসেবা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর
Scroll
প্রতিবন্ধী অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভাপতি ড. মুহিত
Scroll
আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর, ড্যাব নেতার পদ স্থগিত
Scroll
বিগত সময় স্বাস্থ্যখাতকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করা হয়েছিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
Scroll
হামের উপসর্গে আরও দুইজনের মৃত্যু
Scroll
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের
Scroll
ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু
Scroll
দেশের খাদ্যব্যবস্থাকে জনস্বাস্থ্যের উপযোগী করে তোলা প্রয়োজন: খাদ্যমন্ত্রী
Scroll
নিজ কার্যালয়ে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের অভিযোগ
Scroll
৩১ অক্টোবর থেকে শুরু মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা
Scroll
৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
Scroll
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
Scroll
স্বাস্থ্যখাতে ৭০ হাজার কোটি টাকার সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

বন্ধের শঙ্কায় ২১২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪:২২, ৩০-০৭-২০২৬

বন্ধের শঙ্কায় ২১২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র

ছবি: মেডিকেল পোস্ট

সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় পরিচালিত ২১২টি নগর মাতৃসদন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বেন নগরের লাখো দরিদ্র মানুষ। একই সঙ্গে এসব কেন্দ্রে কর্মরত ৩ হাজার ৪৭২ জন স্বাস্থ্যকর্মীর চাকরিও অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্বেগ জানিয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে ১২টি সিটি কর্পোরেশন ও ২১টি পৌরসভায় ৪৫টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬৭টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ১৭ মিলিয়নের বেশি মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে ১৫টি অংশীদার এনজিওর মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৭২ জন দক্ষ জনবল কাজ করছেন।

বক্তারা জানান, এসব কেন্দ্রে মাতৃস্বাস্থ্য, শিশু টিকাদান, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি, কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্যসেবাসহ ১৬টির বেশি সেবা দেওয়া হয়। আগে রেড কার্ডের মাধ্যমে নগর অতি দরিদ্রদের ৩০ শতাংশকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে।

তাদের দাবি, গত ১ জুলাইয়ের পর থেকে অংশীদার এনজিওগুলো মানবিক কারণে নিজেদের অর্থায়নে সেবা কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও স্থানীয় সরকার বিভাগ বা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন কোনো চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না থাকায় এ কার্যক্রম আর চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।

বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বন্ধ হলে টিকাদান কর্মসূচি, মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টিসেবা এবং দরিদ্র মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। এতে মা ও শিশুমৃত্যু বাড়ার পাশাপাশি সংক্রামক রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তারা আরও বলেন, সরকার নগর স্বাস্থ্যসেবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার উদ্যোগ নিয়েছে, যা ইতিবাচক। তবে পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা, প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থায়ন নিশ্চিত না করে হঠাৎ সেবা বন্ধ করা হলে তা নগর স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় সংকট তৈরি করবে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরে বক্তারা নগর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, বর্তমান এনজিওগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী চুক্তি করা, দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে ও স্বল্পমূল্যের চিকিৎসাসেবা চালু রাখা, দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের চাকরি সংরক্ষণ এবং টেকসই নগর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এমপি/ আরআই

আরও পড়ুন