শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪:৩৮, ০৬-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে সুজানগর পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু। এ সময় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সুপ্রভা রাণীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে পিন্টু বলেন, সম্প্রতি সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমএসআর খাতের ছয়টি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: সুপ্রভা রাণী দরপত্রে এমন কিছু শর্ত জুড়ে দেন, যাতে সুজানগর ও পাবনার উপযুক্ত লাইসেন্সধারী ঠিকাদাররাও দরপত্র জমা দিতে পারেননি। এমনকি দরপত্র যাচাই-বাছাই কমিটি নিজের মতো করে গঠন করা হয়েছে। নিয়ম থাকলেও কমিটিতে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাখা হয়নি। দরপত্র জমাদানকারীরা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পরিচিত এবং তার স্বামীর সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পিন্টু আরও বলেন, এসব অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে তিনি শুধু স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। এর বাইরে কোনো কিছু করেননি। তার অভিযোগ, নিজের অনিয়ম ও দুর্নীতি আড়াল করতেই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিয়মিত হাসপাতালে আসেন না এবং দরপত্রে অনিয়মের পর তিনি ছুটিতে রয়েছেন বলেও দাবি করেন পিন্টু। তার জন্য হাসপাতালে যেতে পারছেন না—স্বাস্থ্য কর্মকর্তার এমন বক্তব্যও মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: সুপ্রভা রাণী বলেন, ‘আমি কোন ধরনের অনিয়ম করিনি। কেউ অভিযোগ করলে সেটা করতেই পারে, কিন্তু আমি অনিয়ম করেছি এটা প্রমাণ করুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি অফিসে যেতে পারছি না বলেই তো ছুটিতে আছি।’
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক লাটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক নাদের হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, এস এম রাসেল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমপি/ আরআই