শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০:২৬, ২০-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (১৯ অক্টোবর) ডাইয়ারপাড় কমিউনিটি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের মুচিবাড়ি এলাকার ওই তরুণীর (ছদ্মনাম আমেনা) সঙ্গে মামুনুর রশিদ সবুজের প্রায় দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সময় তারা লালমোহন পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করতেন।
ভুক্তভোগী তরুণী সাংবাদিকদের জানান, সোমবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে সবুজ তাকে কমিউনিটি ক্লিনিকে রেখে চলে যান। পরে তিনি বিয়ের দাবিতে সেখানে অনশন শুরু করেন।
তরুণীর অভিযোগ, সবুজের আত্মীয়স্বজনের লোকজন তার ওপর হামলা চালিয়ে মালামাল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যান।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সবুজের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো. মাহাবুব কবির জানান, অনশনরত তরুণী ফোনে তাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তাকে পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে অথবা লিখিত অভিযোগ দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ছাড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, প্রেমঘটিত কারণে এক যুবক ও তরুণীর মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমপি/ আরআই