শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১:৫১, ২৮-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সম্প্রতি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা ৩১ অক্টোবর থেকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে শুরু হবে। এর আগে কোনো মেডিকেল পরীক্ষা করা বা করানো যাবে না। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা খুব শিগগির মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এ অবস্থায় কর্মীদের মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকার বিষয়ে খোঁজখবর রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোনো মেডিকেল সেন্টার সরকারি নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হলে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি সরকারি নির্দেশনা ও অনুমোদন ছাড়া কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। কিছু দালাল ও অসাধু এজেন্সি অনুমতি ছাড়া মেডিকেল পরীক্ষা করানোর কথা বলে কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। এ ধরনের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়া এবং অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে পাসপোর্ট বা টাকা জমা না দেওয়ার জন্য কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র এবং ভিডিআর ভিসার কাগজপত্র জমা দিতে হবে। নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম স্থগিত এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাতিল করা হতে পারে।
এদিকে, অবৈধ বা অনুমোদনহীন মেডিকেল পরীক্ষা কিংবা এ ধরনের কার্যক্রমের তথ্য জানা থাকলে ঘটনার তারিখ, স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম এবং প্রমাণসহ মন্ত্রণালয়কে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এ জন্য ইমেইল ঠিকানা দেওয়া হয়েছে—[email protected]।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নজরদারি অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সব কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি ও মেডিকেল সেন্টারকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
এমপি/ আরআই