শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭:৫৯, ২৮-১০-২০২৬ | আপডেট: ৭:৫৯, ২৮-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে উপস্থাপিত গবেষণার তথ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের মানুষের গড় মাসিক স্বাস্থ্য ব্যয় তিনগুণ বেড়েছে। একই সঙ্গে, স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয় করতে বাধ্য হওয়া পরিবারের হার ২০০৫ সালের ৫২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৯২ শতাংশ হয়েছে।
সরকারি হাসপাতালে আস্থার সংকট এবং লাইসেন্সবিহীন ও অপ্রশিক্ষিত ফার্মেসির ওপর সাধারণ মানুষের নির্ভরতা বৃদ্ধির ফলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যখাতের এই নাজুক পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে ড. এম এ মুহিত বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে এবং এর সঠিক বাস্তবায়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কাজ চলছে। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের দোরগোড়ায় মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়ন এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১ লক্ষেরও বেশি নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যয়বহুল ক্যান্সার চিকিৎসায় সাধারণ মানুষের আর্থিক কষ্ট লাঘবে বিভাগীয় পর্যায়ে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ফার্মেসি, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর মান নিয়ন্ত্রণে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে আরও শক্তিশালী ও আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশপ্রেমিক, গবেষক ও চিকিৎসকদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।
স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হকের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা: রাজেশ নারওয়াল প্রমুখ।
এমপি/ আরআই