শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২:৩১, ২৯-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
স্ট্রোক একটি গুরুতর স্বাস্থ্যসমস্যা। মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে অথবা রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ হলে স্ট্রোক হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা না পেলে এতে মৃত্যু কিংবা স্থায়ী অক্ষমতার ঝুঁকি তৈরি হয়। বাংলাদেশেও মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ স্ট্রোক।
স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া, হাত বা পা দুর্বল হয়ে পড়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, হঠাৎ দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা, মাথা ঘোরা এবং শরীরের ভারসাম্য হারানো। এসব লক্ষণের কোনোটি দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান ঝুঁকির কারণ। এ ছাড়া ডায়াবেটিস, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা পরীক্ষা, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার, পরিমিত লবণ গ্রহণ, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম জরুরি। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।
স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে অপেক্ষা না করে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। লক্ষণ সাময়িকভাবে কমে গেলেও চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোনো ওষুধ খাওয়ানো উচিত নয়।
বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের মূল বার্তা হলো, স্ট্রোকের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা, ঝুঁকির কারণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা। সময়মতো চিকিৎসা একজনের জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার ঝুঁকিও কমাতে পারে।
এমপি/ আরআই