শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১:০৪, ০১-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (৩১ অক্টোবর) হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন ও মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে এ সেশনের আয়োজন করা হয়। এতে বৈজ্ঞানিক সহযোগী ছিল জেনফার বাংলাদেশ।
সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিনিয়র ক্লিনিক্যাল হেমাটোলজিস্ট ও বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা: মনজুর মোরশেদ। তিনি থ্যালাসেমিয়ার মৌলিক ধারণা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।
তরুণ চিকিৎসকদের উদ্দেশে অধ্যাপক ডা: মনজুর মোরশেদ বলেন, বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়ার বিস্তার যে হারে বাড়ছে, সে তুলনায় রোগ প্রতিরোধ, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা এখনো পর্যাপ্ত নয়। এ ঘাটতি পূরণে তরুণ চিকিৎসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাজীবনের শুরু থেকেই বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিংয়ের পরামর্শ দেওয়া এবং রোগীদের সঠিক চিকিৎসা, নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন ও নিয়মিত আয়রন চিলেশন থেরাপি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। এতে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নেও অগ্রগতি সম্ভব হবে।
কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা: জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: মো. মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক ডা: মো. মেজবাহুর রহমান এবং কলেজের উপাধ্যক্ষ ও অ্যাকাডেমিক সমন্বয়ক ডা: মুহাম্মদ মাহমুদ আলম।
এ সময় হাসপাতালের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন (ব্লাড ব্যাংক) বিভাগের পক্ষ থেকে নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়।
আয়োজকরা জানান, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া, বিয়ের আগে বাহক শনাক্তকরণের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং আক্রান্ত রোগীদের নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন, নিয়মিত আয়রন চিলেশন থেরাপি ও যথাযথ চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অবহিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। চিকিৎসকদের কর্মজীবনের শুরুতেই এ বিষয়ে অর্জিত জ্ঞান ভবিষ্যতে রোগ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।
এমপি/ আরআই