শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২:১৪, ০১-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাসপাতালের বহির্বিভাগে অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাবনা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফুয়াদ।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—হেমায়েতপুরের শহিদুল মন্ডলের ছেলে ইদ্রিস, আ. বারেকের ছেলে সুজন আলী, তৈয়ব আলীর ছেলে জাকির হোসেন ও চাঁদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা।
অভিযানসংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের একমাত্র বিশেষায়িত মানসিক হাসপাতাল হওয়ায় পাবনা মানসিক হাসপাতালে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী নিয়ে আসেন স্বজনরা। তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে দালাল চক্রের সদস্যরা বাইরের বেসরকারি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করানোর কথা বলে এবং নানা কৌশলে বিভ্রান্ত করে টাকা হাতিয়ে নেয়।
বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে দালালদের শাস্তির আওতায় আনা হলেও সম্প্রতি চক্রটির কয়েকজন সদস্য আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে। এনএসআইয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, অটোবাইকে রোগী নিয়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রবেশের সময় দালালরা স্বজনদের অটোবাইক আটকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। কেউ সড়কে, আবার কেউ পাশের দোকানে অবস্থান নিয়ে রোগীর স্বজনদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে তৎপর ছিল। পরে তাদের আটক করে প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফুয়াদ বলেন, এই চক্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান চালালেও কিছুদিন পর আবার তারা সক্রিয় হয়। সম্প্রতি সক্রিয় হয়ে রোগীর স্বজনদের হয়রানি করছিল। অভিযানে গিয়ে দালালি কার্যক্রম চালানোর সময় হাতেনাতে তাদের ধরা হয়। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এ ধরনের অন্যায় কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না।
এমপি/ আরআই