শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০১:২৬, ১৪-০৭-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, মুখ থেকে শ্বাসনালী পর্যন্ত যে অংশে ক্যান্সার হয়, তাকে ওরাল ক্যান্সার বলা হয়। এটি ঠোঁটের ভেতরের অংশ, মাড়ি, জিহ্বা, গাল কিংবা জিহ্বার নিচে দেখা দিতে পারে। আর শ্বাসনালীতে ক্যান্সার কোষ তৈরি হলে সেটিকে অরোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার বলা হয়।
ওরাল ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা। আক্রান্ত প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৯ জন এই ধরনের ক্যান্সারে ভোগেন।
মুখের ক্যান্সারের সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে—মুখে দীর্ঘদিন ঘা বা ফোস্কা, খাবার গিলতে কষ্ট, ঘাড় বা গলায় পিণ্ড, মাড়ি বা দাঁত নড়বড়ে হয়ে যাওয়া, ঠোঁট ও জিহ্বা অবশ হয়ে আসা, মুখের ভেতরে সাদা বা লাল দাগ এবং কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন।
চিকিৎসকদের মতে, ধূমপান, তামাক সেবন, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি) সংক্রমণ মুখের ক্যান্সারের প্রধান ঝুঁকির কারণ। মুখ বা ঠোঁটের কোষের ডিএনএতে পরিবর্তন (মিউটেশন) ঘটলে ক্যান্সার কোষ দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সুস্থ কোষ ধীরে ধীরে নষ্ট হতে থাকে।
ভারতের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশ ক্যান্সার জিনগত কারণে হয়। বাকি অধিকাংশ ক্যান্সারের সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার সম্পর্ক রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করলে অনেক ক্ষেত্রেই সফল চিকিৎসা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ধূমপান, তামাক ও মদ্যপান পরিহার, সুষম খাদ্য গ্রহণ, ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ থেকে দূরে থাকা এবং নিয়মিত দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে মুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
এমপি/ আরআই