শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭:৪৩, ০৪-০৮-২০২৬ | আপডেট: ৭:৪৬, ০৪-০৮-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ডব্লিউএইচওর গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) ব্লুপ্রিন্ট কর্মসূচির ভারপ্রাপ্ত প্রধান ভাসি মূর্তি বলেন, প্রাদুর্ভাব শুরুর আগেই গবেষণার প্রটোকল প্রস্তুত থাকায় আগের যেকোনো ইবোলা প্রাদুর্ভাবের তুলনায় দ্রুত চিকিৎসা পরীক্ষার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিক বা প্রাক-ক্লিনিক্যাল তথ্যগুলো আশাব্যঞ্জক হলেও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ হওয়া জরুরি।
ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ আগস্ট পর্যন্ত কঙ্গোতে ৩ হাজার ৭৪৮টি নিশ্চিত সংক্রমণ এবং ১ হাজার ৬৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির পাঁচটি প্রদেশের ৪৯টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে প্রায় ১৭ হাজার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন, যাদের প্রায় ৮০ শতাংশকে প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ইতুরি প্রদেশের তিনটি চিকিৎসাকেন্দ্রে ডব্লিউএইচওর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত চিকিৎসা পরীক্ষায় ইতোমধ্যে ৫০ জনের বেশি নিশ্চিত ইবোলা রোগী অংশ নিয়েছেন। সেখানে পরীক্ষামূলক বিভিন্ন চিকিৎসাপদ্ধতির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
এ ছাড়া কঙ্গোর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর বায়োমেডিক্যাল রিসার্চের নেতৃত্বে আরেকটি গবেষণায় উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ২৫ জনের বেশি সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি অংশ নিয়েছেন। গবেষকেরা ওবেলডেসিভির নামের মুখে খাওয়ার অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ১০ দিনের কোর্স সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর কি না, তা পরীক্ষা করছেন।
টিকা গবেষণাও এগিয়ে চলছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া যৌথভাবে তৈরি করা বুন্ডিবুগিও-নির্দিষ্ট টিকার প্রথম ধাপের (ফেজ-১) মানবদেহে পরীক্ষা গত ২৪ জুলাই যুক্তরাজ্যে শুরু হয়েছে। অন্যদিকে মডার্না উদ্ভাবিত আরেকটি টিকার ফেজ-১ ট্রায়াল চলতি সপ্তাহে কানাডায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে মার্কের অনুমোদিত জাইর ধরনের ইবোলা টিকা বুন্ডিবুগিও ধরনের বিরুদ্ধেও সুরক্ষা দিতে পারে কি না, সে বিষয়েও নতুন প্রাণীভিত্তিক গবেষণার তথ্য পর্যালোচনা করছে ডব্লিউএইচও। এ বিষয়ে সংস্থাটির বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এমপি/ আরআই