শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩:২৬, ১৪-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার পর ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিনির্বাপণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা অংশ নেন।
ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আরেফিন জুনাইদ জানান, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কোম্পানি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ভবনের ভেতরে থাকা সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ভবনের ভেতরে কোনো কর্মী নেই। আগুন পুরোপুরি নেভানোর পরই ভেতরে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যাবে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দেরি হওয়ার কারণ হিসেবে রাবার ও অ্যালুমিনিয়ামের মতো দাহ্য পদার্থের উপস্থিতির কথা জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চারতলা ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা পাশের আরেকটি ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে দুটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
এদিকে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। হুড়োহুড়ি করে বের হতে গিয়ে দুই শ্রমিক আহত হন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে সাদেক হোসেন নামের একজনকে টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকার ঢাকা ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অপর আহত শ্রমিকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২-এর চারতলা ভবনের চতুর্থ তলায় আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল ও কারখানার বিভিন্ন অংশে। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
এমপি/ আরআই