ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম

Scroll
চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য গর্বের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
Scroll
বাংলাদেশের চিকিৎসক-নার্সদের প্রশিক্ষণ দিতে চায় পাকিস্তান
Scroll
বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি বাড়াতে চায় কেনিয়া
Scroll
ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু
Scroll
হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু
Scroll
অসহায় পরিবারকে ঘর, চিকিৎসা সহায়তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
Scroll
গ্রাম-শহরে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
Scroll
চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন
Scroll
ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট’ গড়ে তোলা হবে: ড. জিয়াউদ্দিন
Scroll
প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে শুরু হচ্ছে ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
Scroll
টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি
Scroll
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট
Scroll
নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৪-৮ বছর বয়সী মেয়েদেরও এইচপিভি টিকা দেওয়ার সুপারিশ ডব্লিউএইচওর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২:৩৬, ১৪-১০-২০২৬

৪-৮ বছর বয়সী মেয়েদেরও এইচপিভি টিকা দেওয়ার সুপারিশ ডব্লিউএইচওর

ছবি: মেডিকেল পোস্ট

৪ থেকে ৮ বছর বয়সী মেয়েদেরও হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের (এইচপিভি) টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনার সুপারিশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) টিকা বিশেষজ্ঞরা। দেশগুলোতে টিকার গ্রহণযোগ্যতা ও আওতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিকাদানবিষয়ক কৌশলগত বিশেষজ্ঞ কমিটির (এসএজিই) প্রধান অ্যান্থনি স্কট সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ১৬৫টি দেশে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি চালু রয়েছে।

অ্যান্থনি স্কট বলেন, ‘বৈশ্বিক এইচপিভি টিকাদানের হার ৩৩ শতাংশ, যা আমাদের কাঙ্ক্ষিত ৯০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশগুলো যদি মনে করে যে এর মাধ্যমে টিকার গ্রহণযোগ্যতা ও কভারেজ বাড়বে, তবে তারা চার থেকে আট বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যেও নিয়মিত টিকাদান চালুর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।’

ডব্লিউএইচওর টিকাদান বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন জানান, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ৯ কোটি ৫০ লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি টিকা পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞ কমিটি তথ্য পর্যালোচনা করে জানিয়েছে, ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য এক ডোজের টিকাদান সূচি বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। পাশাপাশি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, নির্ধারিত সময়ে টিকা নিতে না পারা ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের পরে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা, এরপর ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের টিকাদান এবং ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেদের নিয়মিত টিকা দেওয়া। এ ছাড়া ২০ বছর বয়স পর্যন্ত যেসব পুরুষ টিকা নিতে পারেননি, তাদেরও টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এর আগে, ২০২২ সালে বিশেষজ্ঞ কমিটি ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য এক বা দুই ডোজের টিকাদান সূচির সুপারিশ করেছিল। ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী তরুণীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল। আর ২১ বছরের বেশি বয়সী নারীদের জন্য ছয় মাসের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ২৬টি দেশে নারীদের ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখের ক্যান্সার। এসব দেশের বেশির ভাগই সাব-সাহারা আফ্রিকায় অবস্থিত। এ ছাড়া দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা, মেলানেশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশেও নারীদের ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ এ রোগ।

এমপি/ আরআই

আরও পড়ুন