শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২:৩৬, ১৪-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিকাদানবিষয়ক কৌশলগত বিশেষজ্ঞ কমিটির (এসএজিই) প্রধান অ্যান্থনি স্কট সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ১৬৫টি দেশে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি চালু রয়েছে।
অ্যান্থনি স্কট বলেন, ‘বৈশ্বিক এইচপিভি টিকাদানের হার ৩৩ শতাংশ, যা আমাদের কাঙ্ক্ষিত ৯০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশগুলো যদি মনে করে যে এর মাধ্যমে টিকার গ্রহণযোগ্যতা ও কভারেজ বাড়বে, তবে তারা চার থেকে আট বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যেও নিয়মিত টিকাদান চালুর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।’
ডব্লিউএইচওর টিকাদান বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন জানান, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ৯ কোটি ৫০ লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি টিকা পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞ কমিটি তথ্য পর্যালোচনা করে জানিয়েছে, ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য এক ডোজের টিকাদান সূচি বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। পাশাপাশি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, নির্ধারিত সময়ে টিকা নিতে না পারা ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের পরে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা, এরপর ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের টিকাদান এবং ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেদের নিয়মিত টিকা দেওয়া। এ ছাড়া ২০ বছর বয়স পর্যন্ত যেসব পুরুষ টিকা নিতে পারেননি, তাদেরও টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
এর আগে, ২০২২ সালে বিশেষজ্ঞ কমিটি ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য এক বা দুই ডোজের টিকাদান সূচির সুপারিশ করেছিল। ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী তরুণীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল। আর ২১ বছরের বেশি বয়সী নারীদের জন্য ছয় মাসের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।
ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ২৬টি দেশে নারীদের ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখের ক্যান্সার। এসব দেশের বেশির ভাগই সাব-সাহারা আফ্রিকায় অবস্থিত। এ ছাড়া দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা, মেলানেশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশেও নারীদের ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ এ রোগ।
এমপি/ আরআই