ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

১২ কার্তিক ১৪৩৩, ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

অস্বাস্থ্যকর ড্রামে ভোজ্যতেল, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০:৩৬, ২৬-১০-২০২৬

অস্বাস্থ্যকর ড্রামে ভোজ্যতেল, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ছবি: মেডিকেল পোস্ট

অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন ড্রামে খোলা ভোজ্যতেল সংরক্ষণ এবং লেবেলবিহীন সয়াবিন ও পাম তেল বিক্রির দায়ে রাজধানীর তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর শাহ আলী বাজার, মিরপুর-১ ও কল্যাণপুরের নতুন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের প্রমাণ পায় অধিদপ্তর। পরে তিন প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা করা হয়।

অভিযানে শাহ আলী মার্কেটের মেসার্স নিউ আহমেদ ট্রেডার্সকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর ড্রামে খোলা ভোজ্যতেল সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। একই মার্কেটের নিউ হাওলাদার ট্রেডার্সকে অস্বাস্থ্যকর ড্রামে লেবেলবিহীন খোলা সয়াবিন ও পাম তেল সংরক্ষণের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া কল্যাণপুরের নতুন বাজারে মেসার্স হাসেম জেনারেল স্টোরকে একই ধরনের অনিয়মের দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘ডিজিটাইজেশন অব ফর্টিফিকেশন অব এডিবল অয়েল ফর ইমপ্রুভড মনিটরিং, কোয়ালিটি কন্ট্রোল অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং’ প্রকল্পের আওতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, শিল্প মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান ও অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাহমিনা বেগমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পাত্রে ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তেল সংরক্ষণের পাত্রে প্রয়োজনীয় তথ্যসংবলিত লেবেল প্রদর্শন নিশ্চিত করতে বলা হয়।

এ সময় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ক্রেতাদের মধ্যে লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। কোনো পণ্য বা সেবা কিনে প্রতারিত হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়।

বাজারে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

এমপি/ আরআই

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন