শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২:১২, ০৮-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি অভিযোগ করা হয়। এর আগে শুক্রবার শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কে অবস্থিত ইবনে হাসমান হাসপাতালে দিবাগত রাত সাড়ে ৩টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার দিনের কাজ শেষে তিনি অফিসকক্ষ বন্ধ করে বাসায় চলে যান। হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা প্রতিষ্ঠানেই ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, রাত সাড়ে ৩টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়, চোরেরা প্রথমে অফিসকক্ষের বাইরের দেয়ালে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরায় লাঠি বা অন্য কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করে সেটি সরিয়ে দেয়। এরপর জানালার গ্লাস খুলে বাইরে থেকে কৌশলে ভেতরে থাকা লকারটি ঘুরিয়ে জানালার কাছে নিয়ে আসে। পরে কাটা চামচ, ছুরি, কাঁচি বা অন্য কোনো যন্ত্র দিয়ে লকারটি খুলে ফেলে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে আনোয়ার হোসেন ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসান অফিসে প্রবেশ করে দেখেন, লকারটি যথাস্থানে নেই। সেটি জানালার কাছে খোলা অবস্থায় পড়ে আছে। ভেতরে রাখা টাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চেক বইও পাওয়া যায়নি। জানালার বাইরে কাটা চামচ, ছুরি ও কাঁচি পড়ে ছিল। খবর পেয়ে ফেনী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে।
আনোয়ার হোসেন জানান, হাসপাতালের স্টাফদের বেতন, শেয়ারহোল্ডারদের সম্মানী, ব্যবস্থাপনা কমিটির সম্মানীসহ তার ব্যক্তিগত ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা ওই লকারে রাখা ছিল। চুরির ঘটনায় তার অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে।
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসান জানান, হাসপাতালের অফিসকক্ষে চুরির ঘটনা তাদের বিচলিত করে তুলেছে। এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। তারা থানায় অভিযোগ দিয়েছেন এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তাদের প্রত্যাশা, চুরি হওয়া টাকা উদ্ধার হবে এবং দ্রুত অপরাধীরা শনাক্ত হয়ে আইনের আওতায় আসবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করেছে। বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।
এমপি/ আরআই