ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম

Scroll
চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য গর্বের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
Scroll
বাংলাদেশের চিকিৎসক-নার্সদের প্রশিক্ষণ দিতে চায় পাকিস্তান
Scroll
বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি বাড়াতে চায় কেনিয়া
Scroll
ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু
Scroll
হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু
Scroll
অসহায় পরিবারকে ঘর, চিকিৎসা সহায়তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
Scroll
গ্রাম-শহরে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
Scroll
চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন
Scroll
ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট’ গড়ে তোলা হবে: ড. জিয়াউদ্দিন
Scroll
প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে শুরু হচ্ছে ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
Scroll
টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি
Scroll
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট
Scroll
নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

হঠাৎ পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩:২৭, ০৩-১০-২০২৬

হঠাৎ পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি: মেডিকেল পোস্ট

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল)।

শনিবার (৩ অক্টোবর) তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মন্ত্রীকে জানায়, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বৃহত্তর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পটিয়ার প্রায় সাত লাখ মানুষের পাশাপাশি বাঁশখালী, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও কর্ণফুলীসহ আশপাশের এলাকার আরও প্রায় চার লাখ মানুষ এখান থেকে চিকিৎসাসেবা নেন। ফলে হাসপাতালে প্রতিদিন রোগীর ব্যাপক চাপ থাকে। হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নেন এবং ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী ভর্তি হন। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রীর পদক্ষেপ কামনা করে।

পরে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে একটি মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেখানে হাসপাতাল নেই, সেখানেও নতুন করে ১০১ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।’

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপস্থিতির বিষয়েও খোঁজ নেন। পরে তিনি হাসপাতালের বায়োমেডিক্যাল ব্যবস্থা, রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তি রোগীদের রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা করতে হবে। রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি খাবারের মান উন্নত করতে হবে।’ রোগীরা যাতে যথাযথ চিকিৎসাসেবা পান, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

এ সময় চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, ‘হাসপাতালের উন্নয়নের বিষয়ে আমি বিভিন্ন জায়গায় কথা বলার চেষ্টা করছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখানে এসে হাসপাতালকে অত্যন্ত সুসজ্জিত ও আধুনিক করার যে কথা বলেছেন, তাতে আমরা আশাবাদী।’

তিনি বলেন, ‘পটিয়া আগে একটি মহকুমা ছিল। এ কারণে এ এলাকার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মানুষের সেবায় হাসপাতালটির উন্নয়নে কাজ হবে এতে আমি আশাবাদী।’

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিকভাবে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন। তিনি হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেছেন।’

এ সময় চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন সাজেদুর রহমানসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমপি/ আরআই

আরও পড়ুন