ব্রেকিং
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১:১৫, ২৬-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (২৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সভাকক্ষে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
আয়োজকেরা জানান, ভোক্তাদের স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিতে সহায়তা করার পাশাপাশি প্যাকেটজাত খাদ্য ও পানীয়ের মোড়কে সতর্কবার্তা-সংক্রান্ত প্রবিধানমালা প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করাও এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত অস্বাস্থ্যকর মোড়কজাত খাদ্য ও পানীয় সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে এফওপিএল-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রবিধানমালা প্রণয়নে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ। এর মধ্যে হৃদরোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিস অন্যতম। বর্তমানে দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে অতিরিক্ত ওজনের হার প্রায় ৩১ দশমিক ৮ শতাংশ এবং স্থূলতার হার ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
প্যাকেটের সামনের অংশে সতর্কতামূলক লেবেল থাকলে কোনো খাবার বা পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বি রয়েছে কি না, তা সহজেই বুঝতে পারবেন ভোক্তারা। বিশেষ করে অষ্টভুজ আকৃতির সতর্কবার্তার মাধ্যমে ক্ষতিকর উপাদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। এতে ভোক্তারা সচেতনভাবে খাবার বেছে নিতে পারবেন এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার কেনার প্রবণতা কমতে পারে।
আয়োজকেরা জানান, দুই মাসব্যাপী এ প্রচার কর্মসূচিতে ভিডিও ও অডিও বিজ্ঞাপন, স্থিরচিত্র এবং বিভিন্ন সচেতনতামূলক উপকরণ ব্যবহার করা হবে। টেলিভিশন, রেডিও, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন ও মুদ্রিত সংবাদপত্র এবং গুগল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব প্রচার চালানো হবে। পাশাপাশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচারণা চলবে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্যশিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব এবং গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের কান্ট্রি লিড মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস।
এমপি/ আরআই