ব্রেকিং
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২:৫৮, ২৬-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআরবি-৯-এর শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোশাররফ। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদরুন বিন আকন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা: শরীফ সানজিদ জামান উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আরিফ মিয়া আল্ট্রাসনোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ ডা: মীর মাহবুবুর রহমানের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিতেন। অভিযানের সময়ও তাকে ওই চিকিৎসকের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার অবস্থায় আটক করা হয়। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে জালিয়াতির তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তারা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদরুন বিন আকন বলেন, চিকিৎসক না হয়েও অন্য চিকিৎসকের পরিচয় ব্যবহার করে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেওয়া আইনবিরোধী এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা না দিয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আরিফ মিয়ার বাড়ি টাঙ্গাইল শহরে।
এসআরবি-৯-এর শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক ক্যাপ্টেন মোশাররফ বলেন, আরিফ মিয়াকে শনাক্ত করতে কয়েক দিন ধরে চেষ্টা চলছিল। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি এমবিবিএস ডিগ্রিধারী নন। দেশের বিভিন্ন জেলায়ও একই ধরনের প্রতারণার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
ক্যাপ্টেন মোশাররফ আরও বলেন, মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমপি/ আরআই