শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬:৪৪, ২৫-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সম্প্রতি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা: সাকি মো. জাকিউল আলম এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তির আবেদন করা যাবে ৬ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। আবেদনের ফি জমা দেওয়া যাবে ৭ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে ৯ ও ১০ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।
ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে dgme.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। একজন প্রার্থী আইএইচটি অথবা ম্যাটসের যেকোনো একটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ভর্তি পরীক্ষার ফি ৮০০ টাকা, যা অফেরতযোগ্য। প্রি-পেইড টেলিটকের মাধ্যমে এ ফি জমা দিতে হবে।
এসএসসি সিলেবাস অনুযায়ী এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের এক ঘণ্টার ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানে ১৫ নম্বর করে এবং সাধারণ জ্ঞানে ১০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০।
প্রার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএর পাঁচ গুণের দ্বিগুণ হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর এবং ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে জাতীয় মেধাক্রম তৈরি করে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য প্রার্থীরা সরকারি ও বেসরকারি কোনো আইএইচটি বা ম্যাটসে ভর্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
ভর্তির যোগ্যতা, পরীক্ষার শর্তাবলি, কেন্দ্র, সরকারি আইএইচটি ও ম্যাটসের আসনসংখ্যা ও বিন্যাস, আবেদনপ্রক্রিয়া এবং প্রার্থী নির্বাচনের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের www.mefwd.gov.bd, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের www.dgme.gov.bd, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের www.dghs.gov.bd এবং টেলিটকের dgme.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি আইএইচটি ও ম্যাটসে ভর্তির ক্ষেত্রে ‘ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস)-এ ডিপ্লোমা কোর্সে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৬’ অনুসরণ করা হবে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া, উত্তীর্ণ বা নির্বাচিত কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল প্রমাণিত হলে তার পরীক্ষা, ফলাফল ও ভর্তি যেকোনো সময় বাতিল করা হতে পারে। ভর্তি-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
এমপি/ আরআই