শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০:২৯, ০৫-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (৪ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করতে হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ঢাকার অন্তত ১০টি এবং প্রতিটি জেলার কমপক্ষে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মধ্যে অন্তত একটি বালক স্কুল ও কলেজ, একটি বালিকা স্কুল ও কলেজ এবং একটি মাদ্রাসা রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
এদিকে, পেশাদার মোটরযান চালকদের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সচিবালয়ে কর্মরত সরকারি গাড়িচালকদের বিনা মূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চশমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চালকদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বে উৎসাহ দিতে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে দক্ষ চালকদের পুরস্কৃত করা হবে। একই সঙ্গে মানসম্মত যাত্রীসেবা দেওয়া পরিবহন প্রতিষ্ঠানগুলোকেও পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সড়ক ও মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইন, সংকেত ও রোড মার্কিং দ্রুত সংস্কার করে সচল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক তথ্য প্রচার এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণদের এ কার্যক্রমে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এমপি/ আরআই