শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৫:৫৫, ০১-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষক’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য দূষণ কমাতে গবেষণালব্ধ তথ্যকে নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণা, নীতি ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সংযোগ সুদৃঢ় করতে হবে। নির্মল বায়ু এবং জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।’
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ এবং টেকসই সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে নির্মল, স্বাস্থ্যকর ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আবদুল আউয়াল এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস। এ ছাড়া সংলাপে স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওরিয়ান গুস্তাফসন, নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, গবেষক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
এ সময় বায়ুদূষণ, জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষকের নিঃসরণ কমিয়ে বায়ুর মান উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমনের বিষয়টি উঠে আসে।
আলোচনায় গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন ও কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি জাতীয় উদ্যোগের সঙ্গে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
এমপি/ আরআই