শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১:৩৪, ০৫-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (৪ নভেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে সংস্থাটি। আগামী সপ্তাহে তুরস্কে শুরু হতে যাওয়া কপ-৩১ জলবায়ু সম্মেলনের আগে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে জলবায়ু ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ছয়টি পদক্ষেপের সুপারিশ করেছে ডব্লিউএইচও। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য সতর্কতা ব্যবস্থা চালু, পানীয় জল ও পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামো জলবায়ু সহনশীল করা, হাত পরিষ্কারের অভ্যাস বাড়ানো, বাসাবাড়িতে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জীবাশ্ম জ্বালানির দাম নির্ধারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।
ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস বলেন, ‘জলবায়ু সংকট মানেই স্বাস্থ্য সংকট। তবে এর কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির বড় অংশই আমাদের হাতে থাকা উপায় ব্যবহার করে প্রতিরোধ করা সম্ভব।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার মতো তিন ধরনের সুফল পাওয়া যাবে। পদক্ষেপগুলো থেকে প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের রাজস্ব সুবিধা আসতে পারে। এ ছাড়া প্রাণহানি, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় কমানোর মাধ্যমে অর্থনীতিতে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের বাড়তি সুফল পাওয়া সম্ভব।
তবে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, গবেষণাটি উচ্চাভিলাষী কিছু পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তথ্যের ঘাটতি ও পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে কিছু অনিশ্চয়তাও রয়েছে। তারপরও পরীক্ষিত ও সাশ্রয়ী পদক্ষেপগুলোর ব্যাপক বাস্তবায়ন লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারে বলে মন্তব্য করেন টেড্রোস।
কপ-৩১ সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া বিশ্বনেতাদের প্রতি জলবায়ু মোকাবিলার সব উদ্যোগের কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এমপি/ আরআই