শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬:৫২, ২২-০৮-২০২৬ | আপডেট: ৬:৫২, ২২-০৮-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের চক্ষু বিভাগে চিকিৎসাধীন ডা: আসাদুর রহমানকে দেখার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসায়ীদের নির্মূলে ব্যর্থ হলে বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র বড় বড় হাসপাতাল, ডাক্তার বা অন্যান্য পেশাজীবীদের টার্গেট করে ভয়ভীতি, হুমকি, সর্বশেষ আঘাত করে তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির উদ্দেশ্য ছিল। চক্রটির ৭ জনের মধ্যে ৪ জনকে গ্রেফতার করতে সম্ভব হয়েছে পুলিশ ও ডিবি। লক্ষ্মীপুর, যাত্রাবাড়ী ও সাঁতারকুল থেকে ৩ জনকে ও ওইদিন ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়েছিল একজনকে।
তিনি বলেন, পুলিশের আরও কাজ করা বাকি আছে। এসব সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রগুলোকে নির্মূল করতে চাই। আজকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকায় যারা চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, তাদেরকে অতি শীঘ্রই যদি হেফাজতে না নিতে পারে, তাহলে যারা যারা ব্যর্থ হবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজরা রাতারাতি কোটিপতি হতে চায় হয়ত, এগুলোই তাদের উদ্দেশ্য। তারা গডফাদারদের নামও ব্যবহার করে। পুলিশ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মূলহোতাকে গ্রেফতার করতে পেরেছে। সে বিদেশে ছিল। হুন্ডি ব্যবসায় লস খেয়ে দেশে এসে কিছু সন্ত্রাসীদের একত্রিত করে চক্রটি করেছে। তাদের টার্গেট ছিল ধনাঢ্য ব্যক্তি। আমরা শুধু চাঁদাবাজদের তালিকা করছি না; চাঁদাবাজদের সাথে যদি কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকর, তাদের তালিকাও করছি।
এমপি/ আরআই