শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২:১০, ১২-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
সভায় ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেশে প্রসাধনী থেকে শুরু করে ওষুধ পর্যন্ত নকল ও ভেজাল পণ্যের বিস্তার ঘটেছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির পেছনেও অসাধু ব্যবসায়ীদের ভূমিকা রয়েছে। পণ্য পরিবহনের বিভিন্ন পর্যায়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের মুনাফার কারণে ভোক্তাদের অতিরিক্ত দাম দিতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাজারে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। অবিলম্বে সিন্ডিকেট ভেঙে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
সিপিডির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ধনীদের তুলনায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর বেশি পড়ছে। তাই সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভাঙা, কৃত্রিম সংকট নিরসন এবং বিকল্প বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।
ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। ভোজ্যতেলের দাম আবারও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠী বাজারে সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে।
তিনি বলেন, সামনে রমজানকে বিবেচনায় নিয়ে এখনই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ১৮ কোটি মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় জনবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং মধ্যরাতে মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি মানুষের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দিচ্ছে এবং সাধারণ ভোক্তাদের জীবন কঠিন করে তুলছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বাজার নিয়ন্ত্রণ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
এমপি/ আরআই