শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১:১৯, ০২-১১-২০২৬ | আপডেট: ১১:২২, ০২-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
স্থানীয় ফজর আলী সরদারের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রবেশপথের সামনে দীর্ঘদিন ধরে ইট ভাঙার কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে ইট, বালু ও সুরকি। এতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সড়কে যান চলাচলেও বিঘ্নের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এলাকার সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও গর্ভবতী মায়েরা নিয়মিত এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু ইট ভাঙার ফলে সৃষ্ট ধুলাবালি বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রবেশপথে নির্মাণসামগ্রী রাখায় রোগীদের চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে।
এ অবস্থায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে ইট ভাঙার কাজ বন্ধ এবং প্রবেশপথ ও মহাসড়কের পাশ থেকে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা।
অভিযোগের বিষয়ে ফজর আলী সরদার বলেন, ‘আমি আগে জমজমাটভাবে ইট, বালুর ব্যবসা করতাম। এখন ব্যবসা কমিয়ে দিয়েছি। গোপালপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সামনে আগে মেশিন দিয়ে ইট ভেঙে গুঁড়া করতাম। এখন কেবল একজন নারী শ্রমিক দিয়ে হাতে ইট ভেঙে বিক্রি করি। পরে সেখানে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করি। কারও কোনো ক্ষতি করছি না।’
ডাসার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। মূলত জায়গাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিলেই সমাধান হবে। এটি এখনই বন্ধ করা না হলে অফিস চালানো কষ্টকর হয়ে যাবে।’
মাদারীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খ. ম. নকীবুল বারী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। দ্রুত খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ বলেন, ‘সরেজমিন পরিদর্শন করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে কেউ ব্যবসা করতে পারবে না। এ ছাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে এমন ব্যবসা করা আইনবিরোধী।’
এমপি/ আরআই