শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩:২৪, ০২-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সোমবার (২ নভেম্বর) সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ফেনীতে ৬৮ জনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জনের শরীরে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্ত সবাই সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করিয়েছেন। এ সময়ে বেসরকারিভাবে নতুন কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।
উপজেলাভিত্তিক হিসাবে, ডেঙ্গুর সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ফেনী সদর উপজেলায়। জেলায় মোট আক্রান্তের মধ্যে ১ হাজার ৮৭ জনই এ উপজেলার বাসিন্দা, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ৭৮ শতাংশ। এ ছাড়া সোনাগাজীতে ১৩০ জন, দাগনভূঞায় ৯৫, ছাগলনাইয়ায় ৬৯, পরশুরামে ৩৪ এবং ফুলগাজীতে ১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৯২০ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৭৯ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৪১ জনের মধ্যে ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৪ জন। এখন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে, ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে জেলার সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমানে ২ হাজার ৪৩৮টি পরীক্ষার কিট মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয়।
জেলা সিভিল সার্জন ডা: মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ছাদ ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই নিয়মিত জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। জ্বর দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো উচিত।
এমপি/ আরআই