শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪:৪৭, ০৩-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ব চক্ষু স্বাস্থ্য সম্মেলনে দেওয়া এক ভিডিও বক্তব্যে সরকারের এ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন তিনি।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ‘প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব ও দৃষ্টিহীনতা কেবল একটি মানবিক বিপর্যয়ই নয় বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপরও এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য চোখের সুস্থ দৃষ্টি অপরিহার্য।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় অঙ্গীকার ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে জাতীয় চক্ষু স্বাস্থ্য কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।’
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ২ কোটি মানুষকে সম্প্রসারিত রেফারেল সুবিধার মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া দৃষ্টিত্রুটি দূর করতে এক কোটি চশমা বিতরণ এবং একই সময়ে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ।
ভিডিও বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত আরও বলেন, ‘প্রত্যেক নাগরিকের চোখ পরীক্ষা এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার। জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে আমরা অন্ধত্ব ও দৃষ্টিত্রুটি প্রতিরোধ, সচেতনতা তৈরি এবং এর বিস্তার রোধে কাজ চালিয়ে যাব।’
নাগরিকদের সার্বজনীন চোখের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে সবার জন্য স্পষ্ট দৃষ্টি বা ‘ক্লিয়ার ভিশন’ নিশ্চিতের এই বৈশ্বিক প্রচেষ্টা মানব ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের যৌথ উদ্যোগে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চক্ষু স্বাস্থ্যের এই বৈশ্বিক সম্মেলন। সম্মেলনের সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ।
এমপি/ আরআই