ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

ডিমের কুসুম নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩:৪৫, ৩০-০৭-২০২৬

ডিমের কুসুম নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞ

ছবি: মেডিকেল পোস্ট

ডিমকে বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে অনেকেই প্রথমেই ডিমের কুসুম খাওয়া বন্ধ করে দেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলেও কুসুম পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

পুষ্টিবিষয়ক ওয়েবসাইট এনডিটিভি ফুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ডিমের কুসুমে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। যদিও আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক কোলেস্টেরল গ্রহণের পরিমাণ ৩০০ মিলিগ্রামের মধ্যে রাখার পরামর্শ দেয়, তবে খাবারের কোলেস্টেরলই যে সরাসরি রক্তের কোলেস্টেরল বাড়ায়—এ ধারণা সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়।

পুষ্টিবিদ শালিনী সুধাকরের মতে, ডিমের মতো প্রাকৃতিক খাবারের কোলেস্টেরল অধিকাংশ মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় না বরং সম্পৃক্ত চর্বি (স্যাচুরেটেড ফ্যাট) সমৃদ্ধ ও অতিপ্রক্রিয়াজাত খাবারই কোলেস্টেরল বৃদ্ধির বড় কারণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমের কুসুমে ভিটামিন এ, বি-ভিটামিন, ফোলেট ও সেলেনিয়ামসহ শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করা এবং শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভূমিকা রাখে। তাই কুসুম পুরোপুরি বাদ দিলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

ডিম খাওয়ার পরিমাণ সম্পর্কে শালিনী সুধাকর বলেন, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্করা প্রতিদিন ৪টি ডিমের সাদা অংশ ও ২টি কুসুম খেতে পারেন। আর যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে, তারা ৪টি সাদা অংশের সঙ্গে ১টি কুসুম খেতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ডিমকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই বরং কুসুম পরিমিত পরিমাণে খাওয়া, সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার কমানো, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশি কার্যকর।

এমপি/ আরআই

আরও পড়ুন