শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৫:৫৮, ১১-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার মনপুরা ফাজিল মাদ্রাসা জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারুকলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ফজলে রাব্বি এবং মনপুরা কাউয়ারটেক কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী মো. ফয়সাল হাওলাদার। তারা আপন দুই ভাই এবং মনপুরা ইউনিয়নের ঈশ্বরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা অহিদুর রহমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শিক্ষক ফজলে রাব্বি জানান, ফজরের নামাজের পর মসজিদে দোয়া পড়ার সময় তার বড় ভাই ফয়সাল হাওলাদারকে আলাউদ্দিনের ছেলে ফয়সাল মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মিজানের নেতৃত্বে ৪-৫ জন তাদের ওপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। ভাইয়ের চিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে মসজিদ থেকে বের হলে হামলাকারীরা তাকেও মারধর করেন। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন তিনি।
গুরুতর আহত স্বাস্থ্যকর্মী মো. ফয়সাল হাওলাদার অভিযোগ করেন, ফজরের নামাজের পর মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মিজানের নেতৃত্বে ফয়সাল, সুমন, রিয়াদসহ আরও কয়েকজন তাদের ওপর হামলা করেন। এতে দুই ভাইয়ের মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। তিনিও এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আমিমুল ইহসান জসিম বলেন, ঘটনাটি নিন্দনীয়। হামলার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার দাবি করেন তিনি।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমপি/ আরআই