শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০:১০, ১২-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (১১ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার কমলাঘাট এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুন্না খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। এতে সিভিল সার্জন ডা: সাজেদা বেগম, ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে সিভিল সার্জন ডা: সাজেদা বেগম জানান, হোসনে আরা সুমি নিজের নামের সঙ্গে ‘এমবিবিএস সমমান’ ডিগ্রি ব্যবহার করছিলেন। অথচ এ ধরনের ডিগ্রির কোনো স্বীকৃতি নেই। ২০১০ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন অনুযায়ী, এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কারও চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহারের সুযোগ নেই।
তিনি আরও জানান, ওই নারী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় পড়াশোনা করেছেন বলে দাবি করলেও তাকে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। অভিযানে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তার প্রতিষ্ঠানে ওষুধ বিক্রির জন্য একটি ছোট ফার্মেসি থাকলেও সেটির কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি।
সিভিল সার্জন বলেন, প্রতিষ্ঠানে হাসপাতালের ব্যানার ও পোস্টার থাকলেও হাসপাতাল পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দেখা যায়নি। সেখানে কিছু যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে। একটি কক্ষকে অপারেশন থিয়েটারের মতো মনে হলেও সেটি তালাবদ্ধ ছিল। এ ছাড়া হাসপাতালের নাম ব্যবহারের জন্যও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এসব অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত হোসনে আরা সুমিকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এমপি/ আরআই