শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২:৪৫, ১১-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
রোববার (১১ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো হাসপাতালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ, ৮ জন নারী এবং ৭ জন শিশু রয়েছে। শিশুদের মধ্যে ৩ জন ছেলে ও ৪ জন মেয়ে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৪৯ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ, ১৫ জন নারী ও ১০ জন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য দুজন পুরুষ রোগীকে অন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৮ জন পুরুষ, ২৮ জন নারী ও ৮ জন শিশু। শিশুদের মধ্যে ৪ জন ছেলে ও ৪ জন মেয়ে। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের বহির্বিভাগে নতুন করে ৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বহির্বিভাগে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬০৭ জনে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত উন্নত চিকিৎসার জন্য মোট ১৩৭ জন ডেঙ্গু রোগীকে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা: মাহবুব হাসান বলেন, ‘আমাদের এখানে চিকিৎসক সংকট রয়েছে, তার মধ্যেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এছাড়া ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তিনজন চিকিৎসককে জেলা হাসপাতালে সংযুক্তি পূর্বক পদায়ন করা হয়েছে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা: এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ১৫টি ওয়ার্ডকে ৮ ভাগে বিভক্ত করে টিম গঠন করা হয় এবং কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। এই কার্যক্রম মূলত জনসচেতনতা বা এডিস মশার প্রজনন ধ্বংস করা। ইতোমধ্যে কয়েকটি বাসাবাড়ির মালিককে জরিমানাও করা হয়েছে। আশা করা যায়, এই কার্যক্রম চলমান থাকলে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যেতে পারবো, ইনশাল্লাহ।’
এমপি/ আরআই