শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯:৫৪, ০২-১১-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ ডা: মিলন হলে অধ্যাপক ডা: এম এ হাদীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘দেশটা আমাদের সবার, এ দেশের মানুষকে সেবা করার দায়িত্বও আমাদের সকলের।’ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘একটি আস্থাশীল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্বেষা’ এবং ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’—এই লক্ষ্য সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটিকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে যেকোনো সময় রেফার্ড রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখতে হবে। সাধারণ রোগী ভর্তি না করলেও রেফার্ড রোগীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও চিকিৎসা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গতানুগতিক ধারার বাইরে এসে কাজ করার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসকদের মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা বাড়ানোর বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
সভায় আলোচক ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এবং ডা: মাহবুবুর রহমান লিটন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রয়াত অধ্যাপক ডা: এম এ হাদীর কর্মময় জীবন, কঠোর সময়ানুবর্তিতা, চিকিৎসাসেবায় তার ঐতিহাসিক ভূমিকা, রোগীদের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষাদানের বিষয়গুলো শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
অধ্যাপক ডা: এম এ হাদী ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ডা: মোফাখখারুল ইসলাম রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা: এ কে এম আজিজুল হক, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা: মো. রফিকুল ইসলাম, বিএনপির পরিবার কল্যাণবিষয়ক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সম্পাদক অধ্যাপক ডা: রফিকুল কবীর লাবু, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা: আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু প্রমুখ।
এমপি/ আরআই