শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১:০৯, ১৫-১০-২০২৬ | আপডেট: ৪:০০, ১৫-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
জানা গেছে, রাজধানীর গ্রিন রোডসহ বিভিন্ন এলাকার ফার্মেসিতে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ খুঁজে পাচ্ছেন না রোগীরা। দোকানিরাও বলছেন, কম দামের প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট বেশি। সরবরাহকারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা ওষুধের স্বল্প সরবরাহের কথা জানান।
এদিকে, দেশে ১১৭ ধরনের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ২০ থেকে ৩০ ধরনের ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে সেগুলোও সব ফার্মেসিতে মিলছে না।
উৎপাদকদের দাবি, ওষুধের কাঁচামাল, উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বেড়েছে। কিন্তু সে অনুযায়ী দাম সমন্বয় না হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান এসব ওষুধের উৎপাদন বন্ধ রেখেছে।
ঔষধ শিল্প সমিতির সাবেক মহাসচিব ডা: মো. জাকির হোসেন বলেন, কোনো কোনো ওষুধের উৎপাদন খরচ বিক্রয়মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ৭৭-৭৮ টাকা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) একটি ওষুধ উৎপাদনে ১৪০ টাকা খরচ হলে তা লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হয়। এ ক্ষেত্রে অন্য ওষুধ থেকে হওয়া মুনাফা দিয়ে সেই লোকসান পূরণ করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রতি দুই বছর পরপর সরকার নির্ধারিত মূল্যনীতি অনুযায়ী ওষুধের দাম পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আকতার হোসেন বলেন, জনবল ও কাঁচামালসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়মতো ওষুধের দাম সমন্বয় না হলে কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দীর্ঘদিন লোকসান দিয়ে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া কঠিন।
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সংকটে রোগীদের চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। কেউ প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন, আবার কেউ বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে সংকট কাটাতে ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দাম সমন্বয়ের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনেরা।
এমপি/ আরআই