শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭:২২, ০৮-০৯-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ওষুধটির নির্মাতা রোয়িভান্ট সায়েন্সেস জানায়, ১৬ সপ্তাহের চিকিৎসায় প্লাসিবোর তুলনায় ফুসফুসের রক্তনালিতে চাপ ও প্রতিরোধ ৫৬ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। এতে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রি-মার্কেট লেনদেনে প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যায়।
ওষুধটি ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজে (আইএলডি) আক্রান্ত রোগীদের পালমোনারি হাইপারটেনশনের চিকিৎসায় পরীক্ষাধীন। ফুসফুসের টিস্যুতে ক্ষত বা দাগ তৈরি হলে রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং হৃদপিণ্ডকে রক্ত পাম্প করতে অতিরিক্ত চাপ দিতে হয়। এ অবস্থাকেই পালমোনারি হাইপারটেনশন বলা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, ১৬ সপ্তাহ পর ছয় মিনিট হাঁটার পরীক্ষায় প্লাসিবোর তুলনায় ওষুধ গ্রহণকারীরা গড়ে ৩৫ দশমিক ২ মিটার বেশি হাঁটতে পেরেছেন। একই সময়ে হৃদপিণ্ডের ওপর চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি রক্তের সূচক ৫৩ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।
২৪ সপ্তাহ পর্যন্তও ওষুধটির সুফল বজায় ছিল। এ সময়ে রোগীরা প্লাসিবো গ্রহণকারীদের তুলনায় ৫২ দশমিক ৭ মিটার বেশি হাঁটতে পেরেছেন এবং হৃদপিণ্ডের ওপর চাপের সূচক আরও কমেছে।
২০টি দেশের ৮৭টি কেন্দ্রে পরিচালিত এ পরীক্ষায় ১৩৫ জন রোগী অংশ নেন। এরই মধ্যে ওষুধটির তৃতীয় পর্যায়ের (লেট-স্টেজ) ট্রায়াল শুরু করেছে রোয়িভান্ট। এতে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩৭৫ রোগীকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে এ রোগের চিকিৎসায় ইনহেলড ট্রেপ্রোস্টিনিলজাতীয় ওষুধসহ কয়েকটি চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। নতুন পরীক্ষার ফল সফল হলে ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজজনিত পালমোনারি হাইপারটেনশনের চিকিৎসায় আরও একটি বিকল্প যুক্ত হতে পারে।
এমপি/ আরআই