শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬:৫৭, ২৮-০৮-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এফডিএ প্রাপ্তবয়স্কদের ডার্মাটোমায়োসাইটিসের চিকিৎসায় ওষুধটির অনুমোদন দেয়।
লিসরায়ার মূল উপাদান ব্রেপোসিটিনিব। এটি দিনে একবার মুখে খেতে হয় এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার নির্দিষ্ট পথকে লক্ষ্য করে কাজ করে। ডার্মাটোমায়োসাইটিসে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা পেশি ও ত্বকে আক্রমণ করে। এতে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, পেশির দুর্বলতা এবং ত্বকে বেদনাদায়ক ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
রোয়িভ্যান্ট ও প্রিওভ্যান্ট থেরাপিউটিকস জানিয়েছে, তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় ওষুধটি ত্বকের সমস্যা, পেশির শক্তি ও শারীরিক সক্ষমতায় উন্নতি দেখিয়েছে। পাশাপাশি রোগীদের স্টেরয়েড ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তাও কমেছে।
পরীক্ষায় প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম লিসরায়া গ্রহণকারী রোগীদের ৫২ সপ্তাহ পর গড় মোট উন্নতির স্কোর ছিল ৪৬ দশমিক ৫। প্লাসিবো গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে এই স্কোর ছিল ৩১ দশমিক ২। চিকিৎসার সুফল চতুর্থ সপ্তাহ থেকেই দেখা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রে ডার্মাটোমায়োসাইটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৫ হাজারের কম বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ। রোগটি বিরল হলেও আক্রান্তদের জীবনযাত্রার ওপর এর প্রভাব গুরুতর হতে পারে।
এফডিএ জানিয়েছে, লিসরায়ার সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে ওপরের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, মূত্রনালির সংক্রমণ ও বমিভাব রয়েছে। ওষুধটির ক্ষেত্রে গুরুতর সংক্রমণ, ক্যান্সার, হৃদ্যন্ত্র ও রক্তনালির জটিলতা এবং রক্ত জমাট বাঁধার মতো গুরুতর ঝুঁকি সম্পর্কেও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
প্রিওভ্যান্টের প্রধান নির্বাহী বেন জিমার বলেন, ডার্মাটোমায়োসাইটিস রোগীদের জন্য এ অনুমোদন চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এর আগে রোগটির চিকিৎসায় সীমিতসংখ্যক বিকল্প ছিল।
এমপি/ আরআই