শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩:৩৬, ০৫-০৮-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
বুধবার (৫ আগস্ট) প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে স্যান্ডোজ জানায়, স্থির বিনিময় হার অনুযায়ী তাদের বায়োসিমিলার ওষুধের বিক্রি ২২ শতাংশ বেড়েছে। প্রথম প্রান্তিকে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮ শতাংশ। বর্তমানে কোম্পানির মোট বিক্রির ৩৩ শতাংশই এসেছে বায়োসিমিলার থেকে, আর বাকি অংশ এসেছে জেনেরিক ওষুধ থেকে।
ইতিবাচক ফলাফলের পর বুধবার লেনদেনের শুরুতে স্যান্ডোজের শেয়ারের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে যায়।
স্যান্ডোজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রিচার্ড সেইনর বলেন, আগামী ১০ বছরে প্রায় ৬৫০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ওষুধের পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হবে। এর মধ্যে ডায়াবেটিস ও স্থূলতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধও রয়েছে। তিনি এ সময়কে কোম্পানির জন্য একটি ‘স্বর্ণালী দশক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, এত বড় পরিসরে পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঘটনা এই শিল্পের ইতিহাসে আগে দেখা যায়নি। ফলে বায়োসিমিলার ও জেনেরিক ওষুধের বাজারে স্যান্ডোজ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উত্তর আমেরিকায় বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানির বায়োসিমিলার বিক্রি ৪৭ শতাংশ বেড়েছে। মূলত হাড়ের রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওয়াইওস্ট এবং অস্টিওপোরোসিসের ওষুধ জুবন্টি বাজারে আসার পর এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ওষুধের বাজারকে ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দেখছে স্যান্ডোজ। সম্প্রতি ব্রাজিলে প্রতিষ্ঠানটি সেমাগ্লুটাইডের মাল্টি-ডোজ ডিসপোজেবল পেনের প্রথম অনুমোদন পেয়েছে। তবে ২০২৬ সালে জেনেরিক সেমাগ্লুটাইড বাজারে এলেও তা থেকে উল্লেখযোগ্য আর্থিক অবদান আসবে না বলে মনে করছে কোম্পানিটি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে জেনেরিক ওষুধের ওপর সম্ভাব্য শুল্ক আরোপের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন সিইও রিচার্ড সেইনর।
এমপি/ আরআই