শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:৩১, ০৭-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (৬ অক্টোবর) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, কেনিয়ায় এটিই প্রথম ইবোলা শনাক্তের ঘটনা। এ ঘটনায় রোগীর সংস্পর্শে আসা ২৮ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। একই ফ্লাইটে উগান্ডা থেকে আসা আরও ২৩ যাত্রীকে খুঁজছে কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদেন দুয়ালে জানান, ওই কেনীয় নাগরিক শনিবার দেশে ফেরেন। পরে রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের লক্ষণ দেখা দিলে পরীক্ষায় তার ইবোলা শনাক্ত হয়। নাইরোবির একটি হাসপাতালে আলাদা রেখে চিকিৎসা দেওয়ার সময় সোমবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসাসেবায় যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীসহ ২৮ জনকে রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের ২১ দিন আলাদা রাখা হবে। এ সময়ে পরীক্ষায় ভাইরাসের উপস্থিতি না পাওয়া গেলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালক প্যাট্রিক আমোথ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়ম মেনে মৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাফন করা হবে। সীমান্তের প্রবেশপথগুলোতেও সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ওই ব্যক্তি গত সাত বছর ধরে কঙ্গোতে বসবাস করছিলেন। প্রায় এক মাস আগে অসুস্থ হয়ে তিনি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে সড়কপথে উগান্ডার কাম্পালায় গিয়ে সেখান থেকে বিমানে নাইরোবি ফেরেন।
প্যাট্রিক আমোথ বলেন, ওই ব্যক্তি আগে থেকেই চিকিৎসাধীন থাকায় বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় ইবোলার কোনো লক্ষণ ধরা পড়েনি। পরে স্বজনেরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দ্রুত আলাদা করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এদিকে, পূর্ব কঙ্গোতে মে মাসের মাঝামাঝি শুরু হওয়া চলমান প্রাদুর্ভাবে কেনিয়া চতুর্থ আক্রান্ত দেশ। এর আগে উগান্ডায় ২০ জন এবং ফ্রান্সে একজনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। এই প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বিরল বুন্দিবুগিও ভাইরাস। বর্তমানে এ ভাইরাসের অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই। কঙ্গোতে এর চিকিৎসা নিয়ে পরীক্ষা চলছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়লে এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাবে পরিণত হতে পারে।
এমপি/ আরআই