শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১:২১, ২৩-০৮-২০২৬ | আপডেট: ১:২২, ২৩-০৮-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (২২ আগস্ট) একটি জটিল সার্ভিকাল সার্জারির মাধ্যমে বিভাগটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এতে অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: মো. জাহিদ রায়হান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: মো. জাহিদ রায়হান জানান, আধুনিক এই সুবিধা চালুর ফলে কুষ্টিয়া ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আশঙ্কাজনক ব্রেইন টিউমার, মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত রোগীদের আর গণহারে ঢাকায় রেফার করার প্রয়োজন হবে না। স্থানীয় পর্যায় থেকেই রোগীরা বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা পাবেন। এখানে দুইজন নিউরোসার্জন সার্বক্ষণিক সেবা দিবেন।
তিনি আরও জানান, এই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু ও পরিচালনায় স্থানীয় জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সার্বিক সহযোগিতা করেছে।
হাসপাতালের জনবল সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, অতিরিক্ত রোগীর চাপের পাশাপাশি হাসপাতালে জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকট রয়েছে। হাসপাতালের ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর কারণে নার্সরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। ৪০-৫০ শয্যার একেকটি ওটিতে মাত্র দুজন নার্স থাকায় তারা পেরে উঠছেন না।
এই সংকট কাটাতে মাগুরা থেকে ২০ থেকে ৩০ জন নার্সকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান ডা: জাহিদ রায়হান। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে আরও লোকবল এখানে যুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা: মো. আনোয়ারুল কবীর ও উপ-পরিচালক ডা: আকুল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, নতুন বিভাগটিতে আধুনিক নিউরোসার্জিক্যাল চিকিৎসা যন্ত্রপাতি যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক নিউরোসার্জিক্যাল অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ, নেভিগেশন সিস্টেম, ক্যাভিটেমিট্রন আল্ট্রাসনিক সার্জিক্যাল অ্যাসপিরেটর (কুজা), এন্ডোস্কোপিক সেট এবং ২৪ ঘণ্টা ইমার্জেন্সি সুবিধার জন্য নির্ধারিত দুটি অপারেশন থিয়েটার।
এমপি/ আরআই