শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২:৪৩, ২০-০৯-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা: এফ এম সিদ্দিকী।
উপাচার্য জানান, আইনি প্রক্রিয়া ও নীতিমালা মেনে এখন থেকে কেবল পরিবারের সদস্য বা নিকটাত্মীয়ই নন; বরং রোগীর সঙ্গে গভীর আবেগগত সম্পর্ক রয়েছে এমন ব্যক্তিরাও স্বেচ্ছায় কিডনি দান করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে কেন ওই ব্যক্তি কিডনি দিচ্ছেন, রোগীর সঙ্গে তার আবেগগত ভিত্তি কতটা শক্তিশালী তা যাচাই-বাছাই করা হবে। একই সঙ্গে সব ধরনের আইনি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অঙ্গ কেনাবেচা রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে উপাচার্য অধ্যাপক ডা: এফ এম সিদ্দিকী বলেন, কোনো অবস্থাতেই কিডনি দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা যাবে না। এটি সম্পূর্ণরূপে একটি আবেগগত ও মানবিক সিদ্ধান্ত হতে হবে।
আইনি ও প্রযুক্তিগত নানা জটিলতায় এতদিন বিএমইউতে কিডনি প্রতিস্থাপন কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন থেকে এই সেবা নিয়মিতভাবে সাধারণ রোগীদের দেওয়া হবে।
চিকিৎসকরা জানান, বিএমইউতে এ পর্যন্ত সফলভাবে ছয়টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।
এমপি/ আরআই