শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২:০৫, ০৯-১০-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
গতকাল (৮ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা: নাদিম আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান। এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও মুগদা মেডিকেল কলেজসহ অধিভুক্ত বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ক্লাস প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, একাডেমিক সিস্টেম লস, হলের আবাসন সংকট এবং বিভিন্ন সময়ে ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তাদের প্রস্তুতিতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ দিতে পরীক্ষা অন্তত দুই সপ্তাহ পেছানো প্রয়োজন।
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের এসএইচ-২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আরাফাত ইয়াসিন জানান, সাক্ষাতে তারা বিভিন্ন কারণে শিক্ষাবর্ষে উল্লেখযোগ্য একাডেমিক ক্ষতির বিষয়টি ডিনকে জানিয়েছেন। প্রথম পেশাগত পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ঘাটতি থাকায় তারা পরীক্ষা ১৫ দিন পেছানোর দাবি জানিয়েছেন।
তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ডিন বলেছেন, এককভাবে পরীক্ষা পেছানোর এখতিয়ার তার নেই। সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের লিখিত সম্মতি প্রয়োজন।
ডিন অধ্যাপক ডা: নাদিম আহমেদ শিক্ষার্থীদের জানান, সব ফ্যাকাল্টি মেম্বারের সর্বসম্মতিক্রমে বর্তমান পরীক্ষার সময়সূচি চূড়ান্ত হয়েছে। অধ্যক্ষদের সভায় ১ নভেম্বর থেকে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়েছে। তাই পরীক্ষা পেছানোর যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের লিখিত সুপারিশ আনতে হবে।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষতি ও প্রস্তুতির ঘাটতি সম্পর্কে অধ্যক্ষরাই সবচেয়ে ভালো জানেন। সব মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ লিখিতভাবে সুপারিশ করলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার সূচি পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ১৫ দিনের পরিবর্তে এক মাসও পরীক্ষা পেছানোর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
প্রসঙ্গত, ঢাবি অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজগুলোর এমবিবিএস কোর্সের চার পেশাগত পরীক্ষার সূচি গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়। সূচি অনুযায়ী, প্রথম ও চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষা ১ নভেম্বর, দ্বিতীয় পেশাগত পরীক্ষা ২ নভেম্বর এবং তৃতীয় পেশাগত পরীক্ষা ৫ নভেম্বর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এমপি/ আরআই