শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০১:৫৫, ০১-০৯-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও চীনের হাচমেড এ তথ্য জানিয়েছে। পরীক্ষায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার ট্যাগ্রিসো এবং হাচমেডের অরপাথিস একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়।
গবেষণাটি করা হয়েছে ইজিএফআর-মিউটেশনযুক্ত উন্নত নন-স্মল সেল ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত এমন রোগীদের ওপর, যাদের টিউমারে মাঝারি থেকে উচ্চ মাত্রায় মেট প্রোটিন রয়েছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া রোগীরা উন্নত পর্যায়ের ক্যান্সারের জন্য আগে কোনো চিকিৎসা নেননি।
গবেষণার ফল অনুযায়ী, ট্যাগ্রিসোর সঙ্গে অরপাথিস যুক্ত করার ফলে শুধু ট্যাগ্রিসো ব্যবহারের তুলনায় রোগের অবনতি ছাড়াই বেশি সময় বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাওয়া গেছে।
গবেষণায় অংশ নেওয়া রোগীদের সামগ্রিকভাবে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রেও আশাব্যঞ্জক ফল দেখা গেছে। এটি গবেষণাটির গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় পর্যায়ের লক্ষ্যগুলোর একটি ছিল।
গবেষণাটির প্রধান গবেষক ই-লং উ বলেন, অরপাথিসের সঙ্গে ট্যাগ্রিসো যুক্ত করে এই নির্দিষ্ট রোগী গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে স্পষ্ট চিকিৎসাগত সুফল পাওয়া গেছে। এই ফলাফল ভবিষ্যতে এই ধরনের রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসার কৌশলে পরিবর্তন আনতে পারে।
অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিক্রির বড় একটি অংশ আসে ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ থেকে। প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বেশি বিক্রি হওয়া ওষুধ ট্যাগ্রিসো। অন্যদিকে, অরপাথিস হাচমেডের সঙ্গে যৌথভাবে উন্নয়ন করছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা।
এমপি/ আরআই