শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০২:১৯, ০৫-০৯-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সম্প্রতি দেশটির আগা খান হাসপাতাল ও কোয়েটার আর্য ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের যৌথ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষণায় ১৬ হাজার ৩৪২টি বায়োপসি বা টিস্যু নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৫ হাজার ১৪৫টিতে ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের ৫২ শতাংশ পুরুষ এবং ৪৮ শতাংশ নারী। এ ছাড়া ক্যান্সার আক্রান্তদের ৭ শতাংশ শিশু ও কিশোর-কিশোরী, যাদের বড় একটি অংশের ব্রেন টিউমার ছিল।
প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে খাদ্যনালীর ক্যান্সার। এ ধরনের ৪২৫টি কেস পাওয়া গেছে, যা পুরুষদের মোট ক্যান্সারের ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ। বেলুচিস্তানে পুরুষদের মধ্যে এ ক্যান্সার মুখের ক্যান্সারের তুলনায় চারগুণ বেশি সাধারণ বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পুরুষদের মধ্যে অন্যান্য প্রধান ক্যান্সারের মধ্যে রয়েছে ৩৫১টি পাকস্থলীর, ২২৫টি কোলন, মলদ্বার ও পায়ুপথের এবং ২২৩টি মূত্রথলির ক্যান্সার।
নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে স্তন ক্যান্সার। এ ধরনের ৫২৬টি কেস পাওয়া গেছে। এরপর রয়েছে ৪৩৪টি খাদ্যনালীর, ১২৫টি কোলন, মলদ্বার ও পায়ুপথের এবং ১১৩টি মুখের ক্যান্সার।
গবেষণায় ক্যান্সার বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রক্রিয়াজাত, লবণাক্ত ও শুকনা খাবার বেশি খাওয়া এবং খাদ্যতালিকায় তাজা ফল ও শাকসবজির স্বল্পতা। পরিবেশগত বিভিন্ন কারণ ও আফিম ব্যবহারের বিষয়টিও সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, এসব কারণ এখনো ক্যান্সারের নিশ্চিত বা চূড়ান্ত কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়নি। পাকিস্তানে সমন্বিত জাতীয় ক্যান্সার রেজিস্ট্রি না থাকায় রোগটির প্রকৃত চিত্র নিরূপণেও সমস্যা হচ্ছে।
গবেষকরা বেলুচিস্তানে ক্যান্সারের সঠিক হিসাব রাখতে উন্নত নথিপত্র তৈরি এবং রোগের বিস্তারের কারণ অনুসন্ধানে ক্লিনিক্যাল, রেডিওলজিক্যাল ও প্যাথলজিক্যাল তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
এমপি/ আরআই