শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬:০৬, ৩০-০৭-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ফাইজার জানায়, ওষুধটি নন-সেগমেন্টাল ভিটিলিগো রোগীদের ওপর পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল দিয়েছে। এটি শ্বেতী রোগের সবচেয়ে সাধারণ ধরন, যেখানে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ত্বকের রঞ্জকতা (পিগমেন্ট) হারিয়ে সাদা দাগ তৈরি হয়।
ট্রায়ালের ফলাফলে দেখা গেছে, ৫২ সপ্তাহ চিকিৎসার পর লিটফুলো গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে প্লাসিবো গ্রুপের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রোগীর মুখমণ্ডলের অন্তত ৭৫ শতাংশ এবং শরীরের অন্তত ৫০ শতাংশ অংশে ত্বকের রং ফিরে এসেছে।
ফাইজারের প্রধান ইনফ্ল্যামেশন অ্যান্ড ইমিউনোলজি কর্মকর্তা মাইকেল ভিনসেন্ট বলেন, লিটফুলো প্রাপ্তবয়স্ক নন-সেগমেন্টাল ভিটিলিগো রোগীদের জন্য নতুন ধরনের মুখে খাওয়ার চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে। এটি রোগীদের মুখ ও শরীরের ত্বকের রঞ্জকতা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
দুটি ট্রায়ালে ৫০ মিলিগ্রাম ও ১০০ মিলিগ্রাম মাত্রায় প্রতিদিন একবার করে ওষুধটি গ্রহণকারী মোট ২ হাজার ১৭৪ জন রোগী অংশ নেন। ফাইজারের দাবি, এটি নন-সেগমেন্টাল ভিটিলিগোর জন্য মুখে খাওয়ার ওষুধ নিয়ে পরিচালিত সবচেয়ে বড় দেরি-পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল গবেষণাগুলোর একটি।
লিটফুলো শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার নির্দিষ্ট জ্যাক থ্রি ও টেক প্রোটিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে, ফলে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ত্বকের রঞ্জক উৎপাদনকারী কোষে আক্রমণ করতে পারে না এবং ধীরে ধীরে ত্বকের স্বাভাবিক রং ফিরতে শুরু করে।
ফাইজার জানায়, ওষুধটি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটা (চুল ঝরে পড়ার অটোইমিউন রোগ) চিকিৎসায় অনুমোদিত। ভিটিলিগো রোগীদের ওপর পরিচালিত গবেষণাতেও নতুন কোনো নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখা যায়নি; এর নিরাপত্তা প্রোফাইল আগের গবেষণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন প্রাপ্ত তথ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক নন-সেগমেন্টাল ভিটিলিগো রোগীদের চিকিৎসায় ওষুধটির অনুমোদন চাওয়া হবে।
এমপি/ আরআই