শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭:৪৩, ০৭-০৮-২০২৬
ছবি: মেডিকেল পোস্ট
সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণায় তীব্র পিনাট অ্যালার্জিতে আক্রান্ত ১০ জন তরুণকে সুস্থ অন্ত্রের জীবাণুসমৃদ্ধ হিমায়িত ক্যাপসুল দেওয়া হয়। তিন মাস পর তাদের মধ্যে তিনজন একাধিক চিনাবাদাম খেয়েও তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হননি।
গবেষণার পরবর্তী ধাপে আরও পাঁচজন স্বেচ্ছাসেবীকে এফএমটি দেওয়ার আগে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, যাতে নতুন উপকারী ব্যাকটেরিয়া সহজে অন্ত্রে স্থায়ী হতে পারে। এ দলে পাঁচজনের মধ্যে তিনজন চারটির বেশি চিনাবাদাম খাওয়ার পরও অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া দেখান। এতে গবেষকদের ধারণা, অ্যান্টিবায়োটিক মাইক্রোবায়োম স্থানান্তরের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া রোগীদের শরীরে পিত্তলবণ (বাইল সল্ট) প্রক্রিয়াজাতকারী উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়েছে। এর ফলে অ্যালার্জি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখা রোগপ্রতিরোধী কোষের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পায়।
গবেষণার প্রধান গবেষক বোস্টন চিলড্রেনস হাসপাতালের ডা. রিমা রাশিদ বলেন, মানুষের খাদ্য অ্যালার্জি কমাতে মাইক্রোবায়োমভিত্তিক চিকিৎসার সম্ভাবনা দেখানো এটিই প্রথম গবেষণা। একই সঙ্গে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া, তাদের উৎপাদিত উপাদান এবং রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কেও নতুন ধারণা পাওয়া গেছে।
তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এটি ছোট পরিসরের একটি প্রাথমিক গবেষণা। এ ফলাফল নিশ্চিত করতে এবং কোন রোগীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারেন তা জানতে আরও বড় পরিসরের গবেষণা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভিত্তিতে লক্ষ্যভিত্তিক প্রোবায়োটিক চিকিৎসা উন্নয়নের পথও খুলে যেতে পারে।
এমপি/ আরআই